
নিজস্ব প্রতিবেদক, চরচা
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির এই সময়ে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন সেন্টারের সভাপতি, নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান চেয়ারম্যানসহ মোট ছয়জন। এক সঙ্গে সংগঠনটির গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীদের পদত্যাগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে জোরেশোরে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।

রাজধানীর ফুলবাড়িয়ায় বিআরটিসি কাউন্টারের সামনে গত শনিবার বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘাতের নেপথ্যে দুই দলের ব্যবসায়ীদের মধ্যে মার্কেট নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্ব রয়েছে বলে জানা গেছে।

জামায়াত আমিরের এ ধরনের বক্তব্যের প্রসঙ্গে দলটির এই নেতা বলেন, “যখন একজন লোক মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তব্য রাখে, তখন তো শব্দে শব্দে…।” তাহলে কি এটা ‘রাজনৈতিক বক্তব্য’–জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সেটাই তো স্বাভাবিক। শব্দে শব্দে বিচার করা তো ঠিক না।”

জামায়াত নেতারা বলছেন, ঢাকা উত্তরে দলের প্রভাব রয়েছে বেশি। বিশেষ করে মিরপুর ও উত্তরায় দলীয় অবস্থান ভালো। এমন পরিস্থিতিতে উত্তরে বেশি জোর দেওয়া স্বাভাবিক। এ ছাড়া দক্ষিণে যাকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ভাবা হচ্ছে, তিনি এখনো নির্বাচনী মাঠেই নামেননি। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মহানগর দক্ষিণ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।

মঙ্গলবার সারা দেশে কর্মসূচি দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। অন্যদিকে সরকারকে এই কর্মসূচি রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। পাশাপাশি ওই জোটের পক্ষ থেকে ঢাকায় বড় সমাবেশ করারও কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

একসময় বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ‘জনমত’ তৈরির চেয়ে এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকতে দেখা যায় রাজনীতি সংশ্লিষ্টদের। সব মিলিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রাজনীতির একটি শক্তিশালী অংশে পরিণত হয়েছে। তরুণ রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। তবে জ্যেষ্ঠরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশে গত কয়েকটি সংসদ

নীলফামারীর এই সংসদ সদস্য বলেন, “আমার বক্তব্যে অসাবধানতাবশত ভুল হয়ে গিয়েছে। এটা নিয়ে আমি সংশোধনী দিয়েছি স্পিকার বরাবর। যা আজকে জমা হচ্ছে।”

মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে চাল, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, চিনি, ভোজ্যতেল, মাছ, মাংস ও কৃষিপণ্যসহ প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।

গত রোববার ইসলামী ব্যাংক নিয়ে মন্তব্য করেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিমও। তিনি বলেছেন, ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলবে। ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে ব্যাংকটির স্বাভাবিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আন্দোলনরত

সেখানে যিনি বিরোধী দলের নেতা হন তার নেতৃত্বে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। প্রতিটি সরকারি মন্ত্রীর বিপরীতে একজন ছায়ামন্ত্রী থাকেন। যুক্তরাজ্যে ছায়া মন্ত্রিসভা রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার একটি স্বীকৃত অংশ। অনেক সময় ছায়ামন্ত্রীরাই পরবর্তী নির্বাচনে জিতে প্রকৃত মন্ত্রী হয়ে যান।

গত নির্বাচনের সময়ও জামায়াতকে ভোট না দিতে হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী কয়েকবার বক্তব্য দিয়েছেন। গত বছর আগস্টে চট্টগ্রামে এক জনসভায় বাবুনগরী জামায়াতে ‘ভণ্ড ইসলামি দল’ আখ্যা দেন।

‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ১১ দলীয় জোট এরই মধ্যে গণমিছিল, সভা-সমাবেশ, সেমিনার করছে।

বিরোধী দল সরকারের সমালোচনা করলেও পুরো অধিবেশনজুড়ে সংসদ বর্জনের পথ নেয়নি। এ কারণে অনেকে এটিকে ‘সংসদীয় সহনশীলতার ইতিবাচক ইঙ্গিত’ হিসেবেও দেখছেন। তবে ভিন্ন মতও আছে।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি দুই শতাধিক আসনে জয় পেয়ে রাজ্য সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। রাজ্যটিতে প্রথমবারের মতো বিজেপি জয় পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার তুঙ্গে রয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি ও পুশ ইনের বিষয়টি।

নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় চরচাকে বলেন, “ভারতের জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে তাদের নেতা নির্বাচন করেছে। সেখানে কোন দল ক্ষমতায় এল-না এল তা মুখ্য না। তা নিয়ে আমাদের মাথাব্যথাও নেই। আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি। তাই যে-ই

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জোটগতভাবে লড়লেও স্থানীয় সরকার, বিশেষ করে সিটি করপোরেশনে এককভাবে ভোট করবে জামায়াতে ইসলামী। দলটির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিকরাও বলছে, তারা দলগতভাবে নির্বাচন করবে। জামায়াত জানিয়েছে, এরই মধ্যে ঢাকাসহ অন্য সিটিগুলোতে প্রার্থী প্রায় চূড়ান্ত করে এনেছে তারা।